১০০ টি কবীরা গুনাহ

১০০ টি কবীরা গুনাহ

নিচে ১০০টি কবীরা গুনাহর নাম উল্লেখ করা হলো। সবাই এগুলো থেকে দূরে থাকুন এবং আল্লাহর নিকট পানাহ চান।

● আল্লাহর সাথে শিরক করা
● নামায পরিত্যাগ কর
● পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া
● অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা
● পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা

কবিরা গুনাহ কি ? এ থেকে ক্ষমা পাওয়ার উপায় কি ?

কবিরা গুনাহ কি ? এ থেকে ক্ষমা পাওয়ার উপায় কি ?

কাবীরা গুনাহের আভিধানিক অর্থ বড় গুনাহ ।

আর শারী’আতের পরিভাষায় আল্লাহ ও তাঁর রসূল যে সকল কাজ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন এবং সে সকল কাজের জন্য শাস্তির বিধান অথবা আল্লাহর রাগের কথা ঘোষণা রয়েছে, তাকে কাবীরা গুনাহ বলা হয়।

শয়নকালে পালনীয় ১০ টি সুন্নাত

শয়নকালে পালনীয় ১০ টি সুন্নাত

১. ভালোভাবে বিছানা ঝেড়ে নেয়া। -(বুখারী: ৬৩২০)

২. ঘরের দরজা আল্লাহর নামে বন্ধ করা। -(বুখারী: ৫৬২৩)

৩. শয়নের সময় দু'আ পাঠ করা (যেমন, 'আল্লাহুম্মা বিসমিকা আ'মুতু ওয়া আহইয়া')। -(বুখারী: ৬৩১৪)

পানাহারের সময় পালনীয় কিছু সুন্নাত

পানাহারের সময় পালনীয় কিছু সুন্নাত

১. ডান হাতে পানাহার করা এবং 'বিসমিল্লাহ' বলে শুরু করা। -(তিরমিযীঃ ১৮৫৭)

২. পৃথক পৃথক খাওয়ার চেয়ে একত্রে মিলে খাওয়া। -(ইবনে মাজাহঃ ৩২৮৬)

৩. খাওয়ার সময় কোন খাদ্যকণা নিচে পড়লে তা (পরিষ্কার করে) খেতে সংকোচবোধ না করা। -(তিরমিযীঃ ১৮০২)

কুরবানী বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল

কুরবানী বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল

১. যাকাতের নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়াঃ

কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হলো, যাকাতের নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া । তবে এই সম্পদ এক বৎসর অতিবাহিত হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং ১০ই জিলহজ্জের ফজর হতে ১২ই জিলহজ্জের সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যাকাতের নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেই তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব ।

সম্পর্কিত পোষ্টসমূহ