দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা ও বিপদাপদের দু'আ

সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরীফে আব্দুল্লাহ্ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী (সাঃ) বিপদ-মসীবতের সময় এই দু’আ পাঠ করতেনঃ

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

‘‘আল্লাহ্ ব্যতীত সত্য কোন মাবুদ নেই। তিনি অতি মহান, অতি সহনশীল। আল্লাহ্ ব্যতীত কোন সঠিক ইলাহ্ নেই। তিনি বিশাল আরশের মালিক। আল্লাহ্ ব্যতীত সত্য কোন মাবুদ নেই। তিনি আসমান-যমীনের এবং মহান আরশের মালিক’’।[1]

লাইলাতুল ক্বদর ও বিশেষ দো'আ

লাইলাতুল ক্বদর অন্বেষণ করা :

এক শ্রেণীর মুসলমান মহিমান্বিত রজনী তথা ক্বদরের রাত হিসাবে ২৭শে রামাযানের রাতকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে এবং এই রাতে প্রতি মসজিদে মুছল্লীদের ঢল নামে। সারারাত্রি ছালাত আদায় করা হয়। এক শ্রেণীর আলেম সাধারণ মুসলমানের মধ্যে এ তারিখে ইবাদত করার বিষয়টি প্রচার করে থাকে এবং কেবল এই একটি রাতেই ছালাত আদায় ও কুরআন তেলাওয়াতের নির্দেশ দেয়, যা সঠিক নয়।

ইফতার পরবর্তী দু'আ

ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে আআল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইফতার করে বলতেন:

ﺫﻫﺐ ﺍﻟﻆﻣﺎ ﻭﺍﺑﺘﻠﺖ ﺍﻟﻌﺮﻭﻕ ﻭﺛﺒﺖ ﺍﻟﺎﺟﺮ ﺍﻥ ﺷﺎﺀ الله

উচ্চারণ: যাহাবায যামাউ ওয়াবাতাল্লাতিল উরুক্ব। ওয়া সাবাতাল আজরু ইন শা আল্লাহ্।

অর্থাৎ: তৃষ্ণা বিদূরিত হয়েছে, শিরা-উপশিরা আদ্র হয়েছে আর আল্লাহ্ চাইলে সওয়াব নির্ধারিত হয়েছে। -(আবু দাউদ, নাসাঈ)

বিতরের সালাতে পঠিতব্য দু'আ কুনূত

কুনূত (القنوت) :
‘ কুনূত’ অর্থ বিনম্র আনুগত্য। কুনূত দু’প্রকার। কুনূতে রাতেবাহ ও কুনূতে নাযেলাহ। প্রথমটি বিতর ছালাতের শেষ রাক‘আতে পড়তে হয়। দ্বিতীয়টি বিপদাপদ ও বিশেষ কোন যরূরী কারণে ফরয ছালাতের শেষ রাক‘আতে পড়তে হয়। বিতরের কুনূতের জন্য হাদীছে বিশেষ দো‘আ বর্ণিত হয়েছে।[1] বিতরের কুনূত সারা বছর পড়া চলে।[2] তবে মাঝে মধ্যে ছেড়ে দেওয়া ভাল। কেননা বিতরের জন্য কুনূত ওয়াজিব নয়। [3] দো‘আয়ে কুনূত রুকূর আগে ও পরে[4] দু’ভাবেই পড়া জায়েয আছে। আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে যে,

ফরয সালাত শেষে পঠিতব্য দোয়া

সহীহ সুন্নাহ থেকে ফরজ সালাতের পর পঠিতব্য দুয়া ও জিকির সমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল:

(১) - اَللهُ أَكْبَرُ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ-

উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার (একবার সরবে)। আসতাগফিরুল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ (তিনবার)।

অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

সম্পর্কিত পোষ্টসমূহ