মুসলিমদের বিজয় কেমন হবে ?

মুসলিমদের বিজয় কেমন হবে ?

আলহামদুলিল্লাহ, আস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ।

প্রকৃতপক্ষে 'বিজয়' শব্দটার মধ্যে এমন একটা উপলব্ধি রয়েছে, যা অন্য কিছুর মধ্যে নেই। এই যেমন নতুন হাটতে শেখা একটা বাচ্চা দৌড়ে গিয়ে তার মা'কে ধরতে পারার মধ্যে যে বিজয়ের আনন্দ পায়, তা কেবল সেই বুঝে। আবার মৃত্যুর পর জান্নাত পাওয়ার আনন্দ কেবল ঐ বিজয়ী (জান্নাতী) ব্যক্তিই বুঝবে। তবে বিজয় শব্দটা ইতিবাচক হলেও প্রায় সময় নেতিবাচক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এই যেমন একজন চুর সফলভাবে চুরি সম্পন্ন করাকেও বিজয় মনে করে। তবে নেতিবাচক বিজয় কেবল পৃথিবীতেই সম্ভব। কারণ পরকালে কোন জাহান্নামী ব্যক্তি নিজেকে বিজয়ী বলে দাবি তো করবেই না বরং হতাশায় আচ্ছন্ন হবে।

সূরা বাকারাহ : কুরআনের চূড়া

সূরা বাকারাহ : কুরআনের চূড়া

হযরত মা’কাল বিন ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ‘সূরা-ই-বাকারাহ’ কুরআনের কূঁজ এবং তার চূড়া । এর এক একটি আয়াতের সঙ্গে ৮০ জন ফেরেশতা উর্ধ্বগগণ থেকে অবতীর্ণ হয়েছিলেন । বিশেষ করে ‘আয়াতুল কুরসী’ তো খাস আরশ হতে অবতীর্ণ হয়েছে এবং এই সূরার সঙ্গে মিলানো হয়েছে ।

তাহাজ্জুদের সালাতের গুরুত্ব ও আদায়ের সঠিক নিয়ম

তাহাজ্জুদের সালাতের গুরুত্ব ও আদায়ের সঠিক নিয়ম

তাহাজ্জুদ নামাজ সুন্নাত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হরহামেশা এ নামাজ নিয়মিতিভাবে পড়তেন এবং সাহাবায়ে কেরাম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) কে তা নিয়মিত আদায় করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতেন। পবিত্র কুরআনে তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য বিশেষভাবে তাকিদ করা হয়েছে । যেহেতু উম্মতকে নবীর অনুসরণ করার হুকুম করা হয়েছে সে জন্যে তাহাজ্জুদের এ তাকীদ পরোক্ষভাবে গোটা উম্মতের জন্য করা হয়েছে।

আপনার অনুভূতি জাগবে তো ?

আপনার অনুভূতি জাগবে তো ?

যে মৃত্যুর কথা, কবরের কথা স্মরণ করে কাঁদতে কাঁদতে সালফে সালেহীনরা দাড়ি ভিজিয়ে ফেলতেন, সাহাবারা বেহুঁশ হয়ে পড়তেন; সেই মৃত্যুকে কমনীয় করে সাজাতে সাহিত্যিকদের যে আয়োজন, তার আউটপুট একটাই- আল্লাহ্‌র স্মরণ দূরে সরিয়ে ফেলা। তরুণরা শাহাদাতের মৃত্যুর স্বপ্ন দেখবে না, দেখবে ‘চান্নি পসর রাইতে’ মরণের। যেন জ্যোৎস্না রাতে মৃত্যুর ফিরিশতা সহজে জান কবজ করে। হলুদ পাঞ্জাবী পরে খালি পায়ে ঘুরে বেড়ানো যে যুবকটিকে হুমায়ূন আহমেদ হিরোরূপে দেখিয়েছেন, সে আপাদমস্তক অথর্ব; দিনের পর দিন গায়ে পানি না লাগানো অপবিত্র শরীরের একটা অপদার্থ, যে বাস্তবে থাকলে গায়ের গন্ধেই টেকা মুশকিল হত। মেয়েরা চাইবে ‘রূপা’ আর বাকের ভাইয়ের ‘মুনা’ হতে; মারইয়াম থাকবে অপরিচিত, ‘মারিয়া’ বললে ঠিক আছে, পাঁচ পদ্মের নায়িকা বলে কথা! আর যুবকেরা তাদের প্রাণশক্তি দিয়ে আসবে হাঁ করে চাঁদের আলো খেতে থেকে, আর রাতের অন্ধকারে জৈবিক মিলন ঘটিয়ে প্রেয়সীর অধিকার আদায় করে; যেমনটা জাফর ইকবাল বলেছিল-“হুমায়ূনের গল্প পড়ে তরুণ-তরুনীরা অবলীলায় প্রেমে পড়তে শিখেছে”।

চাশতের সালাত কি এবং কখন ?

চাশতের সালাত কি এবং কখন ?

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

বুরাইদা (রা) বলেন,
রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) বলেছেন, “মানুষের শরীরে ৩৬০ টি জোড় রয়েছে। অতএব মানুষের কর্তব্য হল প্রত্যেক জোড়ের জন্য একটি করে সদাকা করা।” সাহাবায়ে কেরাম (রা) বললেন, “ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! কার শক্তি আছে এই কাজ করার?” তিনি (সা) বললেন, “মসজিদে কোথাও কারোর থুতু দেখলে তা ঢেকে দাও অথবা রাস্তায় কোন ক্ষতিকারক কিছু দেখলে সরিয়ে দাও। তবে এমন কিছু না পেলে, চাশতের দুই রাকা’আত সালাতই এর জন্য যথেষ্ট।” [আবু দাউদ; কিতাবুল ‘আদাব’, অধ্যায়ঃ ৪১, হাদীস নং:৫২২২]

সম্পর্কিত পোষ্টসমূহ